Saturday, June 27, 2020

শুষ্ক ত্বকের যত্নে কিছু ঘরোয়া উপায়/টিপসঃ-

  শুষ্ক ত্বকের যত্ন | via WordPress www ...

নারিকেল তেলঃ

ত্বকের যত্নে নারিকেল তেল অনেক প্রাচীন একটি পদ্ধতি। নারিকেল তেলে থাকা ফ্যাটি এসিড ত্বকের শুষ্কভাব

দূর করে ত্বককে কোমল করে। রাতে ঘুমানোর আগে কুসুম গরম নারিকেল তেল ত্বকে মাখিয়ে নিন।এতে ত্বক ভাল থাকবে।

এছাড়াও নিয়মিত গোসলের পর ত্বকে নারিকেল তেল লাগাতে পারেন।

 

এলোভেরা বা ঘৃতকুমারীঃ

 ঘৃতকুমারীতে ত্বক কোমল করার অন্যতম আরেকটি উপাদান এতে রয়েছে এন্টিসেপ্টিক,

এন্টিফানগাল ইত্যাদি উপাদান যা, শুষ্ক এবং খসখসে ত্বককে সুস্থ করতে সাহায্য করে।পরিষ্কার এলোভেরার পাতা কেটে জেল

বের করুন।সেই জেল শুষ্ক ত্বকে লাগিয়ে ১০-১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।দিনে এটা দুইবার করে

করলে দ্রুত ফল পাওয়া যায়।

 

লেবুর রসঃ

 লেবুর রসে থাকা এন্টিওক্সিডেন্ট ত্বকের পরিচর্যায় সরাসরি সাহায্য করে।এটা মৃত চামড়া ঝরিয়ে ফেলে এবং ত্বকে

সতেজ করে।লেবুর ফালি করে ত্বকে ভালভাবে ঘষুন।১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।এটা প্রতিদিন ব্যবহার করতে পারেন।মুখের ব্রণ

দূর করতেও লেবু্র রস অনেক কার্যকরী।

 

অলিভ ওয়েলঃ 

ত্বকের যত্নে জলপাই তেল বা ওলিভ ওয়েল প্রসিদ্ধ একটি নাম। এতে থাকা এন্টিওক্সিডেন্ট এবং স্বাস্থ্যকর ফ্যাটি

এসিড ত্বকের জন্য অনেক উপকারী।এটা ত্বকের শুষ্কতা দূর করে ত্বককে স্বাভাবিক করে। ত্বকে নিয়মিত এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ

ওয়েল লাগান।এতে ত্বক সুস্থ থাকিবে।

 দুধের সরঃ 

দুধ অনেক উপকারী একটি খাবার এটা আমরা সবাই জানি কিন্তু এর দ্বারা আরো অনেক রকমেরই যে উপকার

পাওয়া সম্ভব তা আমরা অনেকেই জানি না।যেমন দুধের সর,দুধের সরে আছে ল্যাকটিক এসিড যা শুষ্ক ত্বক নিরাময় করতে

সক্ষম। এর প্রাকৃতিক গুনাগুণ ত্বকের কোমলতা রক্ষা করে।

 

মধুঃ 

মধুকে বলা হয় সব চেয়ে বেশি প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার সমৃদ্ধ উপাদান।এতে প্রচুর পরিমাণে এন্টিওক্সিডেন্ট,

মাইক্রবিয়াল এবং হামেক্ট্যান্ট আছে। যা ত্বকে ময়েশ্চারাইজার নিশ্চিত করে এবং ত্বককে আরো নরম করে।এতে ত্বকের জন্য

উপকারি ভিটামিন এবং মিনারেলস আছে। তাই ত্বক মসৃণ করাতে এটি ব্যবহার করতে পারেন।


রূপচর্চার করনীয়ঃ
লেবুর রস ব্যবহারকরলে মুখের ত্বকে কী ...

খাবার কি শুধুমাত্রই পেটের ক্ষুধা মিটিয়ে দেহের পুষ্টি যোগায়? অবশ্যই নয়। খাদ্যদ্রব্যের আরও অনেক ব্যবহার রয়েছে। পুরুষেরা নিশ্চয়ই অবাক হচ্ছেন শুনে? কিন্তু নারীদের অবাক হওয়ার কথা নয়। কারণ তারা জানেন যে অনেক খাদ্যদ্রব্য আছে যা খুব সহজেই রূপচর্চা কাজে ব্যবহার করা যায়। প্রাকৃতিক উপায়ে রূপচর্চা সম্পাদিত হয় বিধায় কোন প্রকার পার্শ-প্রতিক্রিয়া দেখা যায় না! কিন্তু কি কি খাবার ব্যবহার করবেন রূপচর্চার জন্য? জানার জন্য পড়ে নিন এই আর্টিকেলটি!

যে সমস্ত খাদ্য দ্রব্য রূপচর্চা কাজে ব্যবহার করা যায় তাদের নাম এবং ব্যবহারের নিয়ম নিন্মে বর্নিত হলোঃ

 মধু

মধু প্রাকৃতিকভাবে উপকারী একটি উপাদান যা ত্বকের ময়েশ্চারাইজার ধরে রাখতে সহায়তা করে। মধুতে থাকা এনজাইম ত্বকের লোমকূপ পরিস্কার করতে সাহায্য করে।এছাড়া মধুতে থাকা অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান ত্বকের ভারসাম্য রক্ষা করে কালচে ভাব দূর করে। মধু যেহেতু অ্যান্টি অক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান সম্পন্ন একটি উপাদান, তাই এই উপাদানটি মুখে ব্যবহারে তা খুব সহজেই ক্ষত চিহ্ন নির্মূলে সহায়তা করে থাকে। মধুতে থাকা নিউট্রিয়েন্টস নিস্তেজ চুলকে উজ্জ্বল করে। এটি চুলে কন্ডিশনারের কাজ করে। তাই এর জন্য দুই টেবিল চামচ মধু নারিকেল তেলের সাথে চুলে মাখতে পারেন। তবে মধু কেনার আগে অবশ্যই নিশ্চিত হয়ে নেবেন যে তা প্রাকৃতিক খাঁটি মধু কি না! বাজারে অনেক ভেজাল মধু পাওয়া যায় যা ব্যবফারে ত্বকের ক্ষতি হতে পারে।

বিভিন্ন ফলের রস বা জুস

রুপচর্চার কাজে বিভিন্ন ফলের জুস এর ব্যবহার নতুন কিছু নয়! বাজারে সহজে পাওয়া যায় এমন ফলের মধ্যে আপেল অন্যতম। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, যা ত্বক সতেজ ও উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে। পাশাপাশি এর ভিটামিন বি ত্বকে চুলকানি, জ্বালাপোড়া ইত্যাদি সমস্যা থেকে রক্ষা করে। পুষ্টিকর খাবার হিসেবেই নয়, রূপচর্চায়ও আপেল দারুণ কার্যকর। প্যাকটি তৈরি করতে প্রথমে একটি আপেল ছোট ছোট করে কেটে ব্লেন্ডারে মিহি করে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। তারপর আপেলের পেস্টের সঙ্গে ২ টেবিল-চামচ মধু ভালোভাবে মিশিয়ে চোখের চারপাশ এড়িয়ে পুরো মুখে লাগাতে হবে। প্যাকটি লাগিয়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিট রেখে কিছুটা শুকিয়ে গেলে, কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। মুখের চামড়ায় ভাজ পড়া ও পিগমেন্টেশনের সমাধানে আপেল খুব কার্যকরী একটি ফল । শুষ্ক ত্বকের জন্য ১/২ টি আপেল বেটে তাতে ১/২ চামচ লেবুর রস ,সামান্য শসার রস আর একটি অর্গানিক ডিমের কুসুম একত্রে মিশিয়ে ২০ মিনিট মুখে লাগিয়ে ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত এটি ব্যবহারে ত্বকের শুষ্কতা কমে আর্দ্রতা বজায় থাকবে আর ত্বক মসৃণ কোমল হবে। আপেলের এন্টি এইজিং উপাদান বলিরেখা সমস্যা সমাধানে ভীষণভাবে কাজ করে। খুশকি দূর করতে মাথার ত্বকে কমলালেবুর রস ব্যবহার করুন। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর কমলালেবুর রসের সাথে গোলাপজল ও মধু মিশিয়ে তুলা দিয়ে নিয়মিত মুখে লাগালে মুখের রুক্ষ ভাব কমে যাবে, ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পাবে ও ত্বকের কোমলতা বাড়বে।
লেবু

রূপচর্চাতেও লেবুর রয়েছে সমান দক্ষতা, শুধু জানতে হবে উপযুক্ত ব্যবহার। দৈনন্দিন জীবন যাপনে বিপর্যস্ত হতে পারে আপনার সৌন্দর্য। তাই জেনে নিন লেবুর ছোঁয়ায় রূপের যত্ন নিতে কিছু কার্যকরী ব্যবহার।
  • ত্বকের উজ্জ্বলতা
ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে লেবু খুবই উপযোগী। একচির লেবুতে একটু চিনি ছিটিয়ে ত্বকে আলতো করে ঘষতে থাকুন। এটি প্রাকৃতিক স্ক্রাবার হিসেবে কাজ করবে। লেবুর ব্লিচিং ইফেক্ট ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াবে। তারপর কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেললেই হল।
  • নখের যত্ন
দীর্ঘদিন নখে নেলপলিশ লাগিয়ে রাখলে বা রান্নার কারণে হলুদ-তেল লেগে নখে হলদেটে ভাব চলে আসে। অনেক সময় কষযুক্ত ফল বা সবজি কাটার জন্যও নখে দাগ পড়ে যায়। এই সমস্যা সমাধানে লেবুর খোসা দিয়ে নখ ভালো করে ঘষে নিন, নখ হয়ে উঠবে ঝকঝকে পরিষ্কার।
  • ত্বকের কালো দাগ দূর
লেবু দিয়ে ব্রণ, র‌্যাশ বা ব্লাক হেডসের কালো দাগ কিংবা যেকোনো ধরণের কালো দাগ দূর করতে পারেন খুবই সহজে। সেজন্য প্রতি রাতে মুখ ভালো করে পরিষ্কার করে নিয়ে দাগের ওপর লেবুর খোসা ঘষে নিন। এভাবে ১ ঘণ্টা রেখে মুখ ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলতে হবে। কয়েকদিনের ব্যবহারে দ্রুতই দাগ দূর হয়ে যাবে।
  • প্রাকৃতিক টোনার
লেবুকে প্রাকৃতিক টোনার হিসেবে অনায়াসেই ব্যবহার করতে পারেন। পরিষ্কার মুখের ওপর লেবুর খোসা আলতো ম্যাসাজ করে নিন। এরপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ব্যস, দারুণ কাজে দেবে।
  • ব্রণ দূর
লেবুর খোসা খুবই ভালো ব্রণ প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে। লেবুর খোসায় মধু লাগিয়ে তা দিয়ে ত্বকে ম্যাসাজ করলেই ভালো উপকার পাওয়া সম্ভব।
  • কনুই ও হাঁটুর কালচে দাগ
অনেকেরই কনুই এবং হাঁটুতে কালচে দাগ থাকে এবং চামড়া হয়ে যায় শক্ত। এই সমস্যা সমাধানে প্রতিদিন লেবুর ঘষে অপেক্ষা করুন এক ঘণ্টা। কিছুদিনের মধ্যেই দাগ দূর হবে এবং নরম কোমল হয় উঠবে চামড়ার শক্ত ভাব।

ঘরোয়া বডি স্ক্রাব তৈরি
প্রাকৃতিক বডি কেয়ার লাইন ‘মেডিসিন মামা’স অ্যাপোথিকেরি’র প্রতিষ্ঠাতা ডোনা স্টেইনম্যান ঘরোয়া উপায়ে ত্বক কোমল করার একটি স্ক্রাব তৈরির উপায় জানিয়েছেন। এই স্ক্রাব তৈরি করতে প্রয়োজন হবে একটি পাকা অ্যাভাকাডো, এক টেবিল-চামচ সামুদ্রিক লবণ, এক টেবিল-চামচ এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল এবং এক টেবিল-চামচ মধু।
স্টেইনম্যান বলেন, “অ্যাভাকাডো, অলিভ অয়েল এবং মধু, এই প্রতিটি উপাদানই ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। আর লবণ একজিমাসহ ত্বকের আরও কিছু সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।”
ত্বক পরিচর্যার জন্য চা জমিয়ে নেওয়া
পানিতে চা পাতা ফুটিয়ে তা বরফ হিসেবে জমিয়ে নিতে হবে। এই বরফের টুকরা ত্বকে ঘষে নিতে হবে, যতক্ষণ না তা পুরেপুরি গলে যায়। সপ্তাহে একবার ব্যবহারে ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা দূর করা যায়। প্রসাধনী ব্র্যান্ড ‘ফ্রেশ’য়ের সহ-প্রতিষ্ঠাতা লেভ গ্লেজম্যান বলেন, “চায়ের ট্যানিন ত্বক পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।”
দুধের দু’টি ব্যবহার
নিউ ইয়র্কের চর্মরোগবিশেষজ্ঞ এলিন মার্মুর বলেন, “দুধ একটি প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার, যাতে আছে প্রচুর ল্যাকটিক অ্যাসিড। এটি ত্বকের মৃত কোষ দূর করে ত্বকের জ্বলুনি দূর করতে সাহায্য করে।”
ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে ঠাণ্ডা দুধে একটি পরিষ্কার কাপড় ভিজিয়ে মুখে চেপে ধরে রাখতে হবে পাঁচ থেকে ১০ মিনিট।

Wednesday, June 24, 2020

ঠোঁট কেন কালো হয়ঃ

অনেক কারণেই ঠোঁট কালো হতে পারে বা ঠোঁটে কালো কালো দাগ পড়তে পারে। যেমন – ব্যস্ত কর্মজীবন,স্ট্রেস,আবহাওয়ার পরিবর্তন, বাতাসের আর্দ্রতা, শারীরিক অসুস্থতা, তামাক সেবন, ধূমপান করা, কেমোথেরাপি, অতিরিক্ত ফ্লুরাইড এর ব্যবহার, নিম্ন মানের কসমেটিকস এর ব্যবহার,রাতে ঘুমানোর আগে লিপস্টিক না তোলা,সরাসরি সূর্যের আলো পড়লে,স্বাস্থ্যের প্রতি উদাসীনতা।



প্রতিকারঃ
খুব সহজ কিছু পদ্ধতির মাধ্যমে আমরা ঠোঁটের হারানো গোলাপী রঙ ফিরিয়ে আনতে পারি। এর জন্য দামী কোনও প্রসাধনীর প্রয়োজন নেই-

#প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে আপনি যখন দাঁত ব্রাশ করেন,তখন টুথপেস্টের কিছুটা আপনার ঠোঁটের উপর লাগিয়ে প্রলেপ দিন। কিছুক্ষণ পর ব্রাশ করা শেষ হলে হাতের ব্রাশ টি দিয়ে ঠোঁট ব্রাশ করুন। এজন্য ব্রাশ টিকে অবশ্যই নরম হতে হবে এবং অনেক হালকা ভাবে ব্রাশ করতে হবে। এর ফলে ঠোঁটের এবং ঠোঁটের চারপাশের মৃত কোষ গুলো উঠে আসবে,সতেজ হবে ঠোঁট এবং এর চারপাশ।

 #প্রতিদিন ঘুমাতে যাবার আগে অন্তত ৫ মিনিট ঠোঁট ম্যাসাজ করতে হবে। ম্যাসাজ এর জন্য কয়েক ফোঁটা লেবুর রস আমন্ড বাদাম তেলের সাথে মিশিয়ে নিন। এই ট্রিটমেন্টে আপনার ঠোঁটের আর্দ্রতা ফিরে আসবে। নিয়মিত ব্যবহারে খুব সহজেই কালো দাগ কমে আসবে।

#লেবুর রসের সাথে মধু মিশিয়ে প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে লাগালেও একই উপকার পাবেন। অ্যালোভেরা জেল এবং নারিকেল বেটে সাদা রস ঠোঁটে লাগান। নিয়মিত ব্যবহারে ঠোঁটের স্বাভাবিক রঙ ফিরে আসবে।

#প্রতিদিন ঘুমাতে যাবার আগে অন্তত ৫ মিনিট ঠোঁট ম্যাসাজ করতে হবে। ম্যাসাজের জন্য কয়েক ফোঁটা লেবুর রস বাদাম তেলের সাথে মিশিয়ে নিন। এই ট্রিটমেন্টে আপনার ঠোঁটের আর্দ্রতা ফিরে আসবে। নিয়মিত ব্যবহারে খুব সহজেই কালো দাগ কমে আসবে।

#গোলাপের মত ঠোঁট পেতে  চাইলে গোলাপ ব্যবহার করব না, তাই কি হয়? কিছু গোলাপের পাপড়ি  নিন এবং দুধে ভিজিয়ে রাখুন। কিছুক্ষণ পর পাপড়িগুলো বেটে নিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এতে কয়েক ফোঁটা মধু আর গ্লিসারিন দিন। এবার পেস্টটা আপনার ঠোঁটের উপর ১৫ মিনিট রেখে দিন। এক টুকরো তুলা দুধে ভিজিয়ে পেস্টটি তুলে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহারে অসাধারণ রেজাল্ট পাওয়া যায়।



ঠোঁটে কালো দাগ দূর করতে কিছু সতর্কতাঃ

চা, কফিসহ অন্যান্য পানীয় আপনার ঠোঁট কালো হওয়ার জন্য দায়ী। এগুলো খাওয়া এড়িয়ে চলুন

#  ধুমপান অভ্যাস থাকলে ত্যাগ করুন। কেননা, ধূমপান করলে ঠোঁট কালো হবেই।

#পানিশূন্যতা আপনার ঠোঁটের আর্দ্রতা কেড়ে নেয়। তাই নিয়ম করে প্রতিদিন পানি পান করুন, কমপক্ষে ৮-১০ গ্লাস।

#ঠোঁট কখনই বারবার জিভ দিয়ে ভেজাবেন না।

#সরাসরি সূর্যের আলো ঠোঁটের স্বাভাবিক রঙ নষ্ট করে। যতদূর সম্ভব এটা এড়িয়ে চলুন। বাইরে যেতে হলে উঁচুমানের সানস্ক্রিন লোশন ব্যবহার করুন।

#আপনার খাবারে রাখুন প্রচুর শাকসবজি।

আপনি চাইলে আপনার পছন্দমতো প্রোডাক্ট কিনতে পারেন অনলাইনে  থেকে। আবার যমুনা ফিউচার পার্ক ও সীমান্ত স্কয়ার এ অবস্থিত সাজগোজের দুটি ফিজিক্যাল শপ থেকেও কিনতে পারেন আপনার পছন্দের প্রোডাক্টটি!

চোখ ভাল রাখতে কী করবেন ?


#চোখ ভাল রাখতে বাইরে যাবার আগে সানগ্লাস ব্যবহার করুন 

আলোর সঠিক ব্যবহার

চোখ যেকোনো আলোই কিছুক্ষণের মধ্যেই গ্রহণ করে নিতে পারে। কিন্তু চোখ ভালো রাখার জন্য কম আলো বা তীব্র আলোতে লেখাপড়া ও অন্যান্য কাজকর্ম করা উচিত নয়। দিনের বেলা সূর্যের আলো সরাসরি চোখে না পড়াই ভালো। রাতে টিউব লাইটের আলো চোখের জন্য আরামদায়ক। টেবিল ল্যাম্পের আলোতে লেখাপড়ার সময় ল্যাম্পটি দেয়ালের দিকে রেখে প্রতিফলিত আলোতে পড়া ভালো।


টিভি দেখা

টিভি দেখার সময় টিভির পেছনের দিকের দেয়ালে একটি টিউব লাইট বা শেড-যুক্ত ৪০ বা ৬০ ওয়াটের বাল্ব জ্বালিয়ে টিভি দেখা উচিত। সম্পূর্ণ অন্ধকার কক্ষে টিভি দেখা ঠিক নয়। দিনের বেলা যে দরজা বা জানালার আলো টিভি স্ক্রিনে প্রতিফলিত হয়, সেগুলো বন্ধ রাখাই ভালো। সাধারণত ১০ ফুট দূর থেকে টিভি দেখা উচিত। তবে ছয় ফুটের কম দূরত্ব থেকে টিভি দেখা উচিত নয়। বড়-ছোট বিভিন্ন সাইজের টিভি দেখার ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন দূরত্ব বজায় রাখতে হয়। ঝিরঝির করা, কাঁপা কাঁপা ছবি ও ভৌতিক ছায়াযুক্ত ছবি না দেখাই ভালো। রঙিন টিভিতে রং, উজ্জ্বলতা ও কন্ট্রাস্ট ঠিক রেখে টিভি দেখতে হবে। একটানা অনেকক্ষণ টিভি দেখা উচিত নয়, মাঝেমধ্যে দর্শন বিরতি দিয়ে টিভি দেখা চোখের জন্য ভালো।


প্রসাধনীর ব্যবহার
প্রসাধনী চোখের জন্য ক্ষতিকর। অতিরিক্ত প্রসাধনী চোখে ব্যবহার করলে অ্যালার্জিক কনজাংটিভাইটিস, ব্লেফারাইটিস, স্টাই ইত্যাদি রোগ হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে।
মাথায় খুশকি থাকলে সপ্তাহে দুবার খুশকিনাশক শ্যাম্পু ব্যবহার করে মাথা খুশকিমুক্ত রাখতে হবে। নইলে মাথার খুশকি থেকে চোখ আক্রান্ত হয়ে চোখে ব্লেফারাইটিস দেখা দিতে পারে।
ধুলো-ময়লা
প্রতিদিন কাজের শেষে চোখ ঠান্ডা ও পরিষ্কার পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে।
সূর্যালোকের অতিবেগুনি রশ্মি চোখের শত্রু। তাই সূর্যালোক থেকে দূরে থাকা উত্তম। রোদে গেলে সানগ্লাস পরা উচিত। যাঁদের এমনিতেই চশমা পরতে হয়, তাঁদের ফটোক্রোমেটিক লেন্স ব্যবহার করা আরামদায়ক হবে। কনজাংটিভাইটিস, কর্নিয়াল আলসার, আইরাইটিসের রোগীদের জন্য এবং ছানি অপারেশনের পর কালো চশমা ব্যবহার করা জরুরি।
চোখ ভালো রাখতে প্রতিদিন ঘুমাতে যাওয়ার আগে ঠান্ডা ও পরিষ্কার পানি দিয়ে চোখ ভালোভাবে ধুয়ে ঘুমানো উত্তম।
বিভিন্ন রোগের সময় চোখের যত্ন
বাচ্চাদের হাম, জলবসন্ত, হুপিংকাশি, ডায়রিয়া ইত্যাদি রোগে বিশেষ যত্ন নেওয়া আবশ্যক। এসব রোগের ঠিকমতো চিকিৎসা না করালে চোখের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের সঠিক সময়ে চিকিৎসা না নিলে চোখের স্থায়ী ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। দীর্ঘদিন ডায়াবেটিস অনিয়ন্ত্রিত থাকলে চোখে ডায়াবেটিস রেটিনোপেথি হতে পারে। এসব রোগে নিয়মিত ও সঠিক নিয়ে ডায়াবেটিস বা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারলে চোখ ভালো রাখা সম্ভব।

শুষ্ক ত্বকের যত্নে কিছু ঘরোয়া উপায়/টিপসঃ-     নারিকেল তেলঃ ত্বকের যত্নে নারিকেল তেল অনেক প্রাচীন একটি পদ্ধতি। নারিকেল তেলে থাকা ফ্যাটি এসিড ...