শুষ্ক ত্বকের যত্নে কিছু ঘরোয়া উপায়/টিপসঃ-

  শুষ্ক ত্বকের যত্ন | via WordPress www ...

নারিকেল তেলঃ

ত্বকের যত্নে নারিকেল তেল অনেক প্রাচীন একটি পদ্ধতি। নারিকেল তেলে থাকা ফ্যাটি এসিড ত্বকের শুষ্কভাব

দূর করে ত্বককে কোমল করে। রাতে ঘুমানোর আগে কুসুম গরম নারিকেল তেল ত্বকে মাখিয়ে নিন।এতে ত্বক ভাল থাকবে।

এছাড়াও নিয়মিত গোসলের পর ত্বকে নারিকেল তেল লাগাতে পারেন।

 

এলোভেরা বা ঘৃতকুমারীঃ

 ঘৃতকুমারীতে ত্বক কোমল করার অন্যতম আরেকটি উপাদান এতে রয়েছে এন্টিসেপ্টিক,

এন্টিফানগাল ইত্যাদি উপাদান যা, শুষ্ক এবং খসখসে ত্বককে সুস্থ করতে সাহায্য করে।পরিষ্কার এলোভেরার পাতা কেটে জেল

বের করুন।সেই জেল শুষ্ক ত্বকে লাগিয়ে ১০-১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।দিনে এটা দুইবার করে

করলে দ্রুত ফল পাওয়া যায়।

 

লেবুর রসঃ

 লেবুর রসে থাকা এন্টিওক্সিডেন্ট ত্বকের পরিচর্যায় সরাসরি সাহায্য করে।এটা মৃত চামড়া ঝরিয়ে ফেলে এবং ত্বকে

সতেজ করে।লেবুর ফালি করে ত্বকে ভালভাবে ঘষুন।১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।এটা প্রতিদিন ব্যবহার করতে পারেন।মুখের ব্রণ

দূর করতেও লেবু্র রস অনেক কার্যকরী।

 

অলিভ ওয়েলঃ 

ত্বকের যত্নে জলপাই তেল বা ওলিভ ওয়েল প্রসিদ্ধ একটি নাম। এতে থাকা এন্টিওক্সিডেন্ট এবং স্বাস্থ্যকর ফ্যাটি

এসিড ত্বকের জন্য অনেক উপকারী।এটা ত্বকের শুষ্কতা দূর করে ত্বককে স্বাভাবিক করে। ত্বকে নিয়মিত এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ

ওয়েল লাগান।এতে ত্বক সুস্থ থাকিবে।

 দুধের সরঃ 

দুধ অনেক উপকারী একটি খাবার এটা আমরা সবাই জানি কিন্তু এর দ্বারা আরো অনেক রকমেরই যে উপকার

পাওয়া সম্ভব তা আমরা অনেকেই জানি না।যেমন দুধের সর,দুধের সরে আছে ল্যাকটিক এসিড যা শুষ্ক ত্বক নিরাময় করতে

সক্ষম। এর প্রাকৃতিক গুনাগুণ ত্বকের কোমলতা রক্ষা করে।

 

মধুঃ 

মধুকে বলা হয় সব চেয়ে বেশি প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার সমৃদ্ধ উপাদান।এতে প্রচুর পরিমাণে এন্টিওক্সিডেন্ট,

মাইক্রবিয়াল এবং হামেক্ট্যান্ট আছে। যা ত্বকে ময়েশ্চারাইজার নিশ্চিত করে এবং ত্বককে আরো নরম করে।এতে ত্বকের জন্য

উপকারি ভিটামিন এবং মিনারেলস আছে। তাই ত্বক মসৃণ করাতে এটি ব্যবহার করতে পারেন।

No comments:

Post a Comment

শুষ্ক ত্বকের যত্নে কিছু ঘরোয়া উপায়/টিপসঃ-     নারিকেল তেলঃ ত্বকের যত্নে নারিকেল তেল অনেক প্রাচীন একটি পদ্ধতি। নারিকেল তেলে থাকা ফ্যাটি এসিড ...